1. admin@dainikdesherkontho.com : admin :
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

মিনিটে তৈরি হচ্ছে ৬০০০ করোনার টিকার সিরিঞ্জ যে কারখানায়

দৈনিক দেশের কন্ঠ
  • Update Time : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
  • ১৪৭ Time View

বাণিজ্য প্রতিবেদন:- সারা বিশ্বে এখন মানুষের মূল চাহিদা হলো টিকা। টিকা প্রদানের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস হলো সিরিঞ্জ। তাই সিরিঞ্জের এই চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সিরিঞ্জ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হলো হিন্দুস্তান সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইস (এইচএমডি)। প্রতি মিনিটে ৬ হাজার সিরিঞ্জ উৎপাদন করে তারা। দিনে প্রায় ৪০ লাখ।

সাধারণ সময়ে বছরে ২৫০ কোটি সিরিঞ্জ উৎপাদন করে এইচএমডি। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বছর ২৭০ কোটি সিরিঞ্জ তৈরি করবে তারা। বিবিসি অনলাইনের এক ভিডিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই কারখানার কথা।

ভারতের সবচেয়ে বড় সিরিঞ্জ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব নাথ বিবিসিকে জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশ থেকে তাঁর কাছে সিরিঞ্জের ক্রয়াদেশ আসে। এই মুহূর্তে সিরিঞ্জ তৈরির অন্তত ৪০টি আবেদন আছে তাঁর কাছে। তবে এই আবেদন অনুযায়ী জোগান দেওয়া সম্ভব না তাঁর কোম্পানির পক্ষে। ইতিমধ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রয়াদেশ পূর্ণ হয়ে আছে। নতুন করে ক্রয়াদেশ নিচ্ছে না তার প্রতিষ্ঠান।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে ৫০০ থেকে ১ হাজার কর্মী বাড়িয়েছে তারা। এই কর্মীদের দ্রুত প্রশিক্ষণ দিতে হয়েছে, কাজ শেখাতে হয়েছে। এমনকি তাঁরা যে মহৎ একটি কাজ করছেন, সে বিষয়ে তাঁদের উৎসাহিত করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর গত বছর থেকে বিশ্বজুড়ে চাহিদা বেড়েছে সিরিঞ্জের। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে করোনার টিকাদানের আওতায় আনতে অন্তত ১ হাজার কোটি সিরিঞ্জ দরকার।

রাজীব নাথ বলেন, প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০টি ই–মেইল পান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি থেকে এখন বেশি কেনার আবেদন আসছে। পাশাপাশি ইউরোপের অন্য দেশগুলো থেকেও ক্রয়াদেশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে তাদের মানা করে দিতে হচ্ছে তাঁদের। ভারতের জন্য তাঁদের উৎপাদনের দুই–তৃতীয়াংশ রেখে দিচ্ছেন তাঁরা। বাকি এক-তৃতীয়াংশ বৈশ্বিক বাজারের জন্য।

সিরিঞ্জ তৈরিতে মানতে হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মান। যেহেতু অল্প সময়ে বেশি সিরিঞ্জ তৈরি করতে হচ্ছে, তাই সময় কমিয়ে এনে ডব্লিউএইচওর সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সমন্বয় সহজ হলে আরও বেশি সিরিঞ্জ তৈরি করা যাবে বলে মনে করেন তিনি। জাতিসংঘের কোভাক্স প্রকল্পেও সিরিঞ্জ সরবরাহ করছে এইচএমডি।

১৯৫৭ সালে ভারতের সবচেয়ে বড় এই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইস তৈরির কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। হরিয়ানা রাজ্যের ফরিদাবাদ শহরের কারখানাটি তৈরি করেন নরেন্দ্র নাথ। ১৯৫৯ সাল থেকে এটি সিরিঞ্জ উৎপাদন করে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। © All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It