1. admin@dainikdesherkontho.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

সুলতান সুলেমানের’ পেছনে মাসে খরচ ১৫ হাজার টাকা, দাম ২৫ লাখ

দৈনিক দেশের কন্ঠ
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৬৫ Time View

শেরপুর প্রতিনিধি | ২৬ মণ ওজনের ‘সুলতান সুলেমানের’ দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। আজ শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের নাগলা বাজারের খামারি এবাদুল ইসলামের বাড়িতে
২৬ মণ ওজনের ‘সুলতান সুলেমানের’ দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। আজ শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের নাগলা বাজারের খামারি এবাদুল ইসলামের বাড়িতেছবি: প্রথম আলো
ধবধবে সাদার সঙ্গে কুচকুচে কালো রঙের ষাঁড়টির বয়স হয়েছে চার বছর। ১০ ফুট দৈর্ঘ্য আর ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে এলাকায় সাড়া ফেলেছে। ফিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়ের ওজন প্রায় ৩৬ মণ। ভালোবেসে নাম রাখা হয়েছে ‘সুলতান সুলেমান’।

আসন্ন ঈদে কোরবানির জন্য ষাঁড়টিকে প্রস্তুত করেছেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নাগলা বাজারের খামারি এবাদুল ইসলাম। ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই এবাদুলের বাড়িতে মানুষ ভিড় করছে।

২০১৬ সালে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে সুলতান সুলেমানের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকে ষাঁড়টি দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হয়। গত বছর থেকেই এটি বিক্রির চেষ্টা করছেন এবাদুল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারেননি তিনি।

এবাদুল বলেন, ‘সুলতান সুলেমানকে প্রতিদিন কাঁচা ঘাস, খড়, গমের ভুসি, চালের কুঁড়া, ভুট্টা, ডালের গুঁড়া, ছোলা, খুদের ভাতসহ সম্পূরক কিছু খাবার দিই। সব মিলিয়ে গরুটি প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০ কেজি খাবার খায়। শুরুর দিকে খাবার কম খেলেও দিনে দিনে এর খাবারের চাহিদা অনেক বেড়েছে। প্রতি মাসে এটির পেছনে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়।’

এবাদুল বলেন, এ ধরনের গরু লালন-পালন বেশ কষ্টকর। খামারের ১২টি গরু ২০১৮ সালে বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন এই গরু আর একটা বাছুর রয়েছে তাঁর খামারে। সুলতান সুলেমানকে পরিবারের অন্য সদস্যের মতো করেই তিনি পালন করেছেন। পরিবারের সবাই মিলে যত্ন নিয়ে বড় করেছেন। অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ভালো দাম পেলেই গরুটি বিক্রি করে দিতে চান তিনি।

তবে চলমান লকডাউনের কারণে গরুটি বাড়িতে রেখেই অনলাইনে ছবি ও বিবরণ দিয়ে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। দুজন ক্রেতা গরুটির দাম করছেন ১৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা। কিন্ত এত কম দামে গরুটি বিক্রি করবেন না বলে জানান তিনি। এ কারণে গরু বিক্রি করা নিয়ে এবাদুলের মনে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. নাজমুল আহসান বলেন, এবাদুল নিজ হাতে গরুটিকে লালন-পালন করছেন। এখন গরুটির ওজন ৩৬ মণ। গ্রামে আগে কেউ এত বড় ষাঁড় লালন-পালন করেননি। তাই এই গরুকে দেখতে মানুষ প্রতিদিন ভিড় করে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন তারেক আহমেদ বলেন, ‘ওই গরু লালন-পালনে খামারি এবাদুলকে সব সময় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। গরুটি তিনি নিজেও দেখেছি। এখন পর্যন্ত তাঁর দেখামতে উপজেলায় এটাই সব চেয়ে বড় গরু।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। © All rights reserved © 2021
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It